ঠান্ডা, জ্বর, কাশি হলে তৎক্ষণাৎ মুক্তি

বর্ণনা

বর্তমান বিশ্বকে নাজেহাল অবস্থা করা করোনা ভাইরাসের লক্ষণ হল জ্বর, কাশি, গলা ব্যথ্যা বা শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা। যা আমরা এতদিন সাধারণ রোগ হিসেবেই গন্য করতাম। তবে এখন এই লক্ষণগুলো দেখা দিলেই কি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ হয়েছে বলে আপনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়বেন? চিকিৎসকেরা বলছেন, না। কেননা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে আপনার লক্ষণগুলো অন্যভাবে প্রকাশ পাবে। নিচের ডিস্ক্রিপশন বক্সে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণগুলো দেওয়া আছে। আর এখন মৌসুম পাল্টানোর সময়ে সাধারন জ্বর, সর্দি বা কাশি হতেই পারে।

চলুন তাহলে জেনে নিই, ঠান্ডা, জ্বর বা কাশি হলে তৎক্ষণাৎ এর থেকে বাঁচার কার্যকরী কিছু সহজ টিপস :

জ্বর হলে করণীয়:
জ্বরের প্রধান ও প্রথম চিকিৎসা হচ্ছে প্রচুর তরল খাবার খাওয়া। পানি তো চলবেই, সাথে গরম স্যুপ, আদা-চা, জুস ইত্যাদিও চলবে। খাদ্য তালিকায় ভিটামিন সি এবং ভিটামিন ডি খাবার রাখুন। জ্বর হওয়ার প্রথম তিন দিন শুধু সঠিক পরিমাণে প্যারাসিটামলজাতীয় ট্যাবলেট খান। এছাড়া ঘরে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি দিয়ে পুরো শরীর ভেজা নরম কাপড় বা তোয়ালে দিয়ে একটানা কয়েকবার আলতোভাবে মুছে দিলে তাপমাত্রা কমে যায়। জ্বর হলে বিশ্রাম নিলে রোগ সংক্রমণের আশংকা কমে এবং রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি লেবুর শরবত ও ফলের রস খেতে পারেন।

ঠান্ডা, সর্দি, কাশি ও গলাব্যথা হলে করণীয় :
ঠান্ডা, সর্দি-কাশি বা সামান্য গলাব্যথা এমন কোনো বড় ব্যাপার নয়। তবে একবার ঠান্ডা লাগলে তা সারতে অন্তত এক সপ্তাহ লাগবেই। সাধারণ কাশি একটি নির্দিষ্ট সময় পর আপনা-আপনি ভালো হয়ে যায়। তবে কাশির সঙ্গে যদি জ্বর হয়, তাহলে গুরুত্ব দিতে হবে। ঠান্ডা খাবার, ফ্রিজের পানি পরিহার করতে হবে। কুসুম গরম পানি পান করতে পারলে ভালো হয়। হালকা কুসুম কুসুম গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে গলা গড়গড়া করলে গলাব্যথা সহজেই ভালো হয়ে যায়। দিনে কমপক্ষে দুইবার ৫-১০ মিনিট সময়ে গড়গড়া করা উচিত। ধুলাবালি এড়িয়ে চলুন।

এছাড়া কাশি উপশমে ঘরোয়া চিকিৎসা হিসেবে মধুর জুড়ি নেই। মধু কাশি-কফ কমাতে সাহায্য করে। তুলসী পাতা থেঁতো করে এতে কয়েক ফোটা মধু মিশিয়ে মিশ্রণ করে দৈনিক ২/৩ বার খেলে কাশি ভালো হয়। এছাড়া আদা ছোট ছোট টুকরা করে তার সাথে লবণ মিশিয়ে নিয়ে কিছুক্ষণ পর পর খেতে হবে। এই পদ্ধতি কাশি দূর করতে বেশ কার্যকরী। আদা চা করে খেলেও কাশিতে উপকার পাবেন।

আর যদি মনে হয় পরিস্থিতি ক্রমেই নাগালের বাইরে যাচ্ছে, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকদের পরামর্শ নিন বা হাসপাতালের দ্বারস্থ হন।

Total Ratings:

আরো দেখতে পারেন

Generic placeholder image
করোনা সংক্রমণ থেকে মুক্তি পেতে খাদ্য তালিকা
Generic placeholder image
করোনা থেকে সুরক্ষায় WHO এর সহজ ৬ টি স্টেপ
Generic placeholder image
মাস্কের সঠিক ব্যবহার
Generic placeholder image
ঘরে বসে তৈরী করুন হ্যান্ড স্যানিটাইজার